অবদানকারী

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

ব্লগ সংরক্ষাণাগার

রুস্কিয়ে শুৎকি

জাহীদ রেজা নূর

পুলিশ লোকটার গাড়ি থামাল। তারপর নামতে বলল গাড়ি থেকে।

একটু বিচলিত ভদ্রলোক নেমে এলেন। হাসিমুখে পুলিশ বলল, ‘এই বিপজ্জনক পথটা আপনি কোনো আইন না ভেঙেই পাড়ি দিয়েছেন, তাই আপনার জন্য ১ হাজার রুবল পুরস্কার। এই নিন।’

লোকটা তো দারুণ খুশি। চিৎকার করে বলল, ‘যাক বাবা! এবার লাইসেন্সটা কিনে ফেলব!’

পুলিশ চোখ গোল গোল করে বলল, ‘আপনি লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছেন?’

গাড়ির ভেতর থেকে লোকটার বউ বলল, ‘ওর কথা শুনবেন না প্লিজ! মাতালে কী না বলে!’

লোকটার দিকে তাকিয়ে পুলিশ বলল, ‘আপনি মদ খেয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন?’

গাড়ির ভেতর থেকে রাগতস্বরে লোকটার শাশুড়ি বলল, ‘আমি আগেই বলেছিলাম, চুরি করা গাড়ি নিয়ে বেশি দূর যাওয়া যায় না!’

l : বউ, যখন পেত্রভ দম্পতি নতুন খাট কিনল, তখন তুমি আমাকে দিয়ে জোর করে ওদের মতো নতুন খাট কিনতে বাধ্য করেছিলে। এরপর ওরা দেয়াল আলমারি কিনল, তুমি আমাকে সেটাও কিনতে বাধ্য করলে। আমি ভেসে গেলাম ঋণের সাগরে। এরপর ওরা ইউরোপে ঘুরতে গেল। তুমি আমাকে বাধ্য করলে ওদের মতো ইউরোপ ট্যুরে যেতে। আমি আমাদের ইউরোপ ট্যুরে যাওয়ার টাকা জোগাড় করার জন্য তিনটা চাকরি একসঙ্গে করেছি। এবার বলো, আমি এখন কী করব?

: ওরা নতুন কী করেছে, সেটা আগে বলো?

: পেত্রভ নতুন বিয়ে করেছে!

l : ভোভা, আজ ভালো কোন কাজটা করেছিস?

: আমি বাবাকে বিদায় জানানোর সময় দেখলাম এক দাদু ট্রেন ধরার জন্য দৌড়াচ্ছে। কিন্তু যেভাবে দৌড়াচ্ছে, তাতে ট্রেন তাকে ছাড়াই চলে যাবে। আমি তখন আমার কুকুরটাকে ওই দাদুর পেছনে ছেড়ে দিলাম। দাদু ট্রেন ধরতে পারল।

l আমরা তিনজন একসঙ্গে জন্মেছিলাম। আলস্য, আমি আর বিবেক। জন্মের সময়ই তৃতীয়জন মারা গেছে।

l : দাদু, দাদিমার সঙ্গে তোমার পরিচয় হলো কী করে?

: ইন্টারনেটে।

: কী বলো! তখন তো ইন্টারনেট ছিল না!

: দাঁড়া দাঁড়া, কোন দাদিমার কথা বলছিস!

l এক নারী তাঁর সহকর্মীকে বলছেন, ‘আমার স্বামীকে দুবার কোনো কথা বলতে হয় না!’

: বাহ! দারুণ এক স্বামী পেয়েছিস তুই! কিন্তু কীভাবে তা সম্ভব? একবার বললেই কাজটা করে দেয়?

: আরে না। একবার বলার পর কাজটা আমি নিজেই করে ফেলি। কে আর সংসারে অশান্তি ডেকে আনবে বল?

l ‘বাবা, আমি যখন বড় হব, তখন কি আমার যা ইচ্ছে তা করতে পারব?’

দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বাবা বলছেন, ‘জানি না রে! এখনো কোনো পুরুষ তত দিন বাঁচেনি। তত বড় হয়নি।’

l ভোভাদের বাড়িতে অতিথি এসেছে। যখন তারা চলে যাচ্ছে, তখন ভোভার মা ভোভাকে বললেন, ‘এখন কী বলতে হয়, সোনামণি?’

‘জানি না।’ ভোভার উত্তর।

‘ভোভা, ভেবে বের করো, বিদায়ের সময় অতিথিদের কী বলতে হয়? মনে করে দেখো তো, নাতাশা খালা চলে যাওয়ার সময় আমি সব সময় কী বলি?’

‘হুম, মনে পড়েছে। নাতাশা খালা চলে যাওয়ার পর তুমি সব সময় বলো, “অবশেষে গাধাটা গেল! আমার সব সসেজ আর পনির শেষ করে দিয়ে গেল!”’